সরকারের বর্তমান মেয়াদের চতুর্থ বছরপূর্তি উপলক্ষে শুক্রবার (৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, আন্দোলনের নামে কেউ যাতে অরাজকতা, মানুষের জানমাল এবং জীবিকার ক্ষতিসাধন করতে না পারে সেদিকে সজাগ থাকতে হবে । তিনি নির্বাচনকে সামনে রেখে এখন থেকেই স্বাধীনতাবিরোধী, ক্ষমতালোভী, জনগণের সম্পদ লুণ্ঠনকারী আর পরগাছা গোষ্ঠীর সরব তৎপরতা শুরু হয়েছে। এদের লক্ষ্য ঘোলাটে পরিস্থিতি সৃষ্টি করে পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতা দখল করা।

সরকারপ্রধান বলেন, এই লুণ্ঠনকারীরা দেশে-বিদেশে ভাড়াটে বুদ্ধিজীবী এবং বিবৃতিজীবী নিয়োগ করেছে। তাদের উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কুৎসা রটিয়ে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যে তথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। এদের মিথ্যাচারে বিভ্রান্ত হবেন না।শেখ হাসিনা বলেন, আমরা একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনের প্রত্যাশা করছি। এ জন্য নির্বাচন কমিশনকে সব ধরনের সহায়তা দিয়ে যাবে সরকার।