সুরভী আকন্দ প্রীতি, ছিপছিপে গড়নের সাধারন এক কিশোরী। তবে তার মাঝেই অনেকে দেখতে পাচ্ছে অসাধারণের ছায়া। এই তো কিছুদিন আগেও তিন জাতির অনুর্ধ্ব-১৫ নারী ফুটবল টুর্নামেন্টে হয়েছিল বাংলাদেশের শুভ সুচনা, যেখানে আট গোলের মধ্যে হ্যাটট্রিক করেছেন সুরভী আকন্দ প্রীতি। এই কিশোরীর শক্ত মনোবলই তার শক্তির প্রধান উৎস।
পুরুষ শাসিত সমাজ ব্যবস্থায় ছেলে হলে খেলনা হিসেবে হাতে তুলে দেয় পিস্তল বা গাড়ি জাতীয় খেলনা, আর মেয়ে হলে তুলে দেয় রান্না করার তৈজসপত্র, পুতুল জাতীয় খেলনা। সুরভী টা নেয়নি, দেখেছে বড় স্বপ্ন , বেছে নিয়েছে ফুটবল। ময়মন্সিংহের মেয়ে সুরভীর অনুপ্রেরণা, সপ্না-সাবিনারা।
একজন মেয়েকে ছেলের সমকক্ষ হিসেবে দেখার পরিপূর্ণ ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি এখনও এই সমাজে এসেছে কিনা তা দিয়ে সুরভির কিছু আসে যায় না, যেটা আসে যায় সেটা হল নিজের পারফরম্যান্স। সুরভী জানায় , “গ্রামের মানুষ নানা কথা বলছে, আমি কানে নেই নাই। আমি আমার প্র্যাক্টিস চালিয়ে গেছি। ভবিষ্যতে ভালো ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন দেখছে সে। নারী ফুটবলে সৌরভ ছড়াবে সুরভী, নারী ফুটবলের যত বাঁধা বিপত্তি কেটে যাবে সুরভীকে দেখে, বাংলাদেশ কে নিয়ে যাবে বিশ্বমঞ্চে এমনটাই প্রত্যাশা কোচ-ভক্ত এবং সুরভীর নিজের।