বাংলাদেশের ৬৪ শতাংশ নারী অনলাইনে হয়রানি ও যৌন সহিংসতার শিকার হচ্ছেন৷ তাদের অধিকাংশই এর প্রতিকারের জন্য পুলিশের কাছে যান না৷ যারা যান, তাদের অধিকাংশই কোনো প্রতিকার পান না৷ এ রকম সহিংসতা দিন দিন বাড়ছে৷ চলতি বছরের ২৭ নভেম্বর রোববার অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ পরিচালিত এক গবেষণা জরিপে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়৷

চলতি বছর বাংলাদেশে অনলাইন ব্যবহারকারী নারীদের প্রায় ৬৩ দশমিক ৫১ শতাংশ সহিংসতার শিকার হয়েছেন৷ আগের বছরের তুলনায় যা ১৪ শতাংশ বেশি৷ এরমধ্যে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে সবচেয়ে বেশি সহিংসতার শিকার হচ্ছেন তারা৷ এই হার ৪৭ শতাংশ৷ মেসেঞ্জারে হারটি ৩৫ শতাংশ৷ এ ছাড়া ইনস্টাগ্রাম, ইমো, হোয়াটসঅ্যাপ, ইউটিউবসহ অন্যান্য মাধ্যমেও সহিংসতার মুখে পড়েছেন নারীরা৷ গত ১১ থেকে ১৮ নভেম্বর ৫১৪ অনলাইন ব্যবহারকারী নারী তাদের এই গবেষণা জরিপে অংশ নেন৷

গবেষণায় বলা হয়, অনলাইনে নারীরা ১২ ধরনের সহিংসতার শিকার হচ্ছেন৷ সবচেয়ে বেশি ৮০ শতাংশ নারী অশ্লীল, ক্ষতিকর, যৌনতামূলক ও বিদ্বেষমূলক মন্তব্য পেয়ে থাকেন৷ ৫৩ শতাংশ নারীকে ইনবক্সে অশ্লীল ছবি পাঠিয়ে যৌন সম্পর্ক করার কথা বলে হয়রানি করা হয়৷ বৈষম্যমূলক আচরণের শিকার হন ১৯ শতাংশ নারী৷ সামাজিক মাধ্যমে নারীদের নাম ব্যবহার করে ভুয়া আইডি খোলার মাধ্যমে সহিংসতার শিকার হয়েছেন প্রায় ১৮ শতাংশ নারী৷ ১৬ শতাংশ নারী বলেছেন, সাইবার জগতে তাদের কর্মকাণ্ড সব সময় অনুসরণ করা হচ্ছে৷