মরুর বুকে এক মাসের ফুটবল মহাযুদ্ধের শেষ রোমাঞ্চের সামনে দাঁড়িয়ে পৃথিবী। সোনার ট্রফি জয়ে মুখোমুখি ইউরোপ ও লাতিন ফুটবল শক্তি। পাওয়ার ফুটবল বনাম ছন্দময় ফুটবলের এ লড়াই মঞ্চায়নে তৈরি আধুনিক স্থাপত্যের নিদর্শন লুসাইল স্টেডিয়ামও।আজ রাত ৯টা পর্যন্ত এই লড়াইয়ের অপেক্ষায় আছেন সমর্থকরাও।
১৯৯৮ সালে প্রথম শিরোপা জয়ের পর থেকে ফুটবল শক্তিতে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে ফ্রান্স। ২০ বছরের ব্যবধানে জিতে নিয়েছে দ্বিতীয় শিরোপাও। মধ্যমণি গ্রিজম্যানের সরবরাহ করা বলে আক্রমণ শানাবেন এমবাপে, ডাম্বেলে ও জিরুদ। শিরোপা স্বপ্নের পাশাপাশি গোল্ডেন বল ও বুটের অনুপ্রেরণা রয়েছে এমবাপের জন্য।
ফরাসিদের টানা দ্বিতীয় জয়ের বিপরীতে ৩৬ বছরের অশ্রু, বঞ্চনা ও সমালোচনার জবাব দেবার মঞ্চ আর্জেন্টিনার জন্য। স্কালোনির গুরুগিরিতে কোপার খরা কাটানোর পর এবার বিশ্বকাপ অপেক্ষার অবসানে একাট্টা লে আলবিসেলেস্তেরা।গোলবারের অতন্দ্র প্রহরী এমিলিয়ানো মার্তিনেজের সামনে দেয়াল হয়ে দাঁড়াবেন অভিজ্ঞ ওতামেন্দি ও তরুণ রোমেরো-লিসান্দ্রোরা। মধ্যমাঠে বল দখলের লড়াই চালাবেন ডি পল, অ্যালিস্টার, পারাদেশ। এখানে সারপ্রাইজ প্যাকেজও রাখতে পারেন কোচ। আর আক্রমণের কামান দাগাবেন মেসি ও আলভারেজ। যদিও মেসিকে বল থেকে দূরে রাখার হুমকি দিয়েছে ফ্রান্স। কিন্তু এ ম্যাচ মেসির জন্য তো শুধু বিশ্বকাপের ফাইনাল নয়; সর্বকালের সেরার সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হবার শেষ সিঁড়িও।