শনিবার (১০ ডিসেম্বর) দোহার আল থুমামা স্টেডিয়ামে মরক্কোর বিপক্ষে শুরুর একাদশে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে ছাড়াই মাঠে নামে পর্তুগাল। তবুও চতুর্থ মিনিটেই সহজ সুযোগ পেয়ে গেছিল তারা। কিন্তু ব্রুনো ফার্নান্দেস ক্রসে জোয়াও ফেলিক্সের হেডের শট সহজেই ধরে ফেলেন মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু।এর মিনিট দুয়েক পরে কর্নার পায় মরক্কো। হাকিম জিয়েখ কর্নার কিক থেকে বল উড়িয়ে মারেন পর্তুগালের ডি-বক্সের মধ্যে। কিন্তু সেখানে থাকা ইউসেফ এন-নেসেরির শট গোলবারের ওপর দিয়ে চলে যায়। এরপর ১৮তম মিনিটে হাকিম জিয়েখও সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু ওউনাহির বাড়িয়ে দেওয়া বলে তার শট বক্সের বাইরে দিয়ে চলে যায়।কিন্তু বল দখলে আর আক্রমণে বেশ এগিয়ে থেকেও গোলের দেখা পাচ্ছিল না পর্তুগাল। অন্যদিকে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিজেদের আক্রমণে ধার বাড়ায় মরক্কোইয়ানরা। যার ফলে ম্যাচের ৪২তম মিনিটে ম্যাচের প্রথম গোলের দেখা পেয়ে যায় আফ্রিকার দেশটি। ইয়াহইয়া আতিয়াতাল্লাহ ক্রস করে ডি-বক্সের মধ্যে বল বাড়িয়ে দিলে বেশ উপরে লাফিয়ে উঠে হেড থেকে গোল করেন ইউসেফ এন-নাসেরি।যার সুবাদে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় আটলাস লায়ন্সরা। বিরতির পর গোল শোধে মরিয়া হয়ে ওঠে পর্তুগাল। এজন্য ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে মাঠে নামান কোচ সান্তোস। কিন্তু ৫৮তম মিনিটে দারুণ একটি সুযোগ তৈরি করেও গোল করতে পারেনি পর্তুগিজরা। এ সময় ওটাভিয়ার ক্রসে বক্সের মধ্যে হেড নিয়েছিলেন গনসালো রামোস। কিন্তু অল্পের জন্য সেটি ডানপাশ দিয়ে চলে যায়।

ম্যাচের ৬৪ মিনিটে গোলের দারুণ একটি সুযোগ পেয়েছিলেন ব্রুনো ফার্নান্দেস। কিন্তু তার ডি-বক্সের সামনে থেকে নেওয়া বুলেট গতির শটটি গোলবারের সামান্য উপর দিয়ে চলে যায়। ফলে হতাশায় পুড়তে হয় ম্যানচেষ্টার ইউনাইটেডের এই তারকাকে। শেষ মুহূর্তে প্রাণপন চেষ্টা চালিয়েও আর গোলের দেখা পায়নি পর্তুগাল। ফলে আফ্রিকার দলটি ইতিহাস গড়ে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করলো।

A news by Alisha Pradhan