রমজান মাসে রোজা রেখে শরীরচর্চা করতে অনেকেই দ্বিধা করেন। কিন্তু শরীরকে ফিট রাখতে নির্দিষ্ট সময়ে অল্প করে হলেও ব্যায়াম করা দরকার। রোজায় খেয়াল রাখতে হবে, কখন ব্যায়াম করছেন এবং কতটুকু ব্যায়াম করছেন।
রোজায় সকালের দিকে যোগব্যায়াম বা ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজ করতে পারেন। খুব বেশি ভারী ব্যায়াম করতে যাবেন না। হালকা কোনো ব্যায়াম বেছে নিন। যারা নিয়মিত হাঁটেন তারা সকালে দিকে হাঁটুন। বিকালে হাঁটবেন না। ঘাম হলে শরীরের ঘাম মুছে ঠাণ্ডা স্থানে থাকার চেষ্টা করুন।
পানি ও লবণশূন্যতার কারণে পেশিতে ক্র্যাম্প হতে পারে। সে জন্য ইফতারের সময় বেশি করে পানি পান করবেন। ইফতার, রাতের খাবার এবং শেষরাতের খাবারে শর্করাজাতীয় খাবার অবশ্যই রাখা উচিত। ইফতারে ভাজাপোড়া খাবার এড়িয়ে চলুন।
যারা জিমে ব্যায়াম করেন তারা ভুলেও ভারী ব্যায়াম করবেন না। ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজ করুন। রমজান মাসে শরীরচর্চা করার ক্ষেত্রে সব সময় সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। ব্যায়ামে পেশিতে প্রচুর শর্করার দরকার হয়। সারদিন না খেয়ে ব্যায়াম করলে শরীরে থাকা সঞ্চিত শর্করা দ্রুত শেষ হয়ে যায় ও শরীর দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। তাই রোজায় শরীরচর্চা অবশ্যই করবেন, তবে জেনে এবং বুঝে।
রমজান মাসে নতুন ব্যায়াম রুটিন শুরু করা উচিত নয়। উপবাসের সময় তীব্র ব্যায়াম পেশী ভর এবং পেশী শক্তি হ্রাস হতে পারে। যাইহোক, এই মাসে মাঝারি-তীব্রতার ওয়ার্কআউট করার পরামর্শ দেওয়া হয়। জিমে যাওয়া ছাড়াও, কেউ হাঁটতে, সাইকেল করতে বা হালকা জগিং করতে পারেন।
ব্যায়াম করার জন্য আদর্শ সময় হবে ইফতারের পর। 20-45 মিনিটের ওয়ার্কআউট আদর্শ। অল্প জলখাবার এবং প্রচুর পরিমাণে জল খেয়ে সেহরির আগে ব্যায়ামও করা যেতে পারে। এটি একটি পুষ্টি-ঘন খাবার দ্বারা অনুসরণ করা উচিত।