রবিবার সকালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের সাথে বৈঠকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এবং ইউনাইটেড স্টেটস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট (ইউএসএআইডি) এর মধ্যে ‘দ্য ডেভেলপমেন্ট অবজেক্টিভ গ্রান্ট এগ্রিমেন্ট (ডিওএজি)’-এর ষষ্ঠ সংশোধনী স্বাক্ষরিত হয়েছে।
এদিকে ইউএস এইড ডেপুটি এসিস্টেন্ট এডমিনিস্ট্রেটর অঞ্জলি কৌওর জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সাথে কাজ করবে। অন্তর্বর্তী সরকারের সাথে কাজ করবে। বাংলাদেশের সাথে আগের যে চুক্তি ছিল তার সাথে আরও ২০০ মিলিয়ন ডলার যুক্ত হবে। যা গণতন্ত্র, মানবাধিকার, সমাজ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজের ব্যবহার হবে।
এ প্রসঙ্গে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহম্মেদ জানিয়েছেন, এ চুক্তিতে আর্থিক কারিগরি বাণিজ্য বাজারের পাশাপাশি পাচার হওয়া টাকার বিষয়ে কথা হয়েছে। এছাড়া আগের চুক্তির সাথে নতুন করে আরও ২০০ মিলিয়ন ডলার যুক্ত হয়েছে।
অর্থ উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকের পর মার্কিন দূতাবাসের ফেসবুক পেইজে বলা হয়, ‘বাংলাদেশের নব উদ্যমে প্রবৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাওয়াকে আমরা পৃষ্ঠপোষকতা করব। এ লক্ষ্যে শীর্ষ অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে আলাপে আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও টেকসই উন্নয়নকে ঘিরে তাদের উদ্যোগ ও প্রচেষ্টাকে সহায়তা করার ক্ষেত্রে আমাদের সম্পৃক্ততার বিষয়গুলো আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে।’ এর আগে দুই দিনের সফরে গতকাল শনিবার সকালে যুক্তরাষ্ট্রের রাজস্ব দপ্তরের সহকারী আন্ডার সেক্রেটারি ব্রেন্ট নেইম্যানের নেতৃত্বে মার্কিন প্রতিনিধি দলটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। পরে বিকেলে দিল্লি হয়ে ঢাকা পৌঁছান যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু।