প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার ভোর সোয়া পাঁচটা থেকে এ দাবিতে সমবেত হন স্থানীয়রা। ভোর ৫টা ৩৮ মিনিটে ট্রেনটি ফরিদপুর অতিক্রম করার আগে তারা কাফনের কাপড় শরীরে জড়িয়ে রেললাইনের ওপর শুয়ে পড়েন। এ সময় চন্দনা কমিউটার ট্রেনের স্টপেজ দাবিতে নানা স্লোগান দিতে থাকেন তারা।
আজ শনিবার ভোরে ফরিদপুর রেলস্টেশনে তারা এ কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় আন্দোলনকারীরা কাফনের কাপড় শরীরে জড়িয়ে রেললাইনের ওপর শুয়ে পড়ে ট্রেন অবরোধ করেন। পরে পাকশির ঊর্ধ্বতন রেল কর্মকর্তাদের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করেন আন্দোলনকারীরা। সেখানকার দায়িত্বরত কর্মকর্তারা লিখিত আবেদন পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন। এরপর ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দাবি পূরণ না হলে অনির্দিষ্টকালের জন্য রেল অবরোধের ঘোষণা দিয়ে অবরোধ তুলে নেন আন্দোলনকারীরা। পরে ট্রেনটি ভাঙ্গা স্টেশনের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।
এ সময় সেখানে বক্তব্য দেন সিনিয়র সিটিজেন অধ্যাপক আলতাফ হোসেন, আবরার নাদিম ইতু, শরীফ খান, রুমন চৌধুরী, পারভেজ, তুহিন বিন আলমগীর প্রমুখ।