পরিবেশবান্ধব বাইসাইকেল রাইড শেয়ারিং সেবা দিচ্ছে জোবাইক। উদ্যোগটির লক্ষ্য সহজলভ্য, সুবিধাজনক ও পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা; যা কিনা শহুরে পরিবহন ব্যবস্থাকে স্মার্ট ও আধুনিকীকরণে দৃশ্যমান ভূমিকা রাখবে।জোবাইকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মেহেদী রেজা বলেন, কক্সবাজারকে স্বাস্থ্যকর ও পরিবেশবান্ধব পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে দেশি-বিদেশি পর্যটকের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলতে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে জোবাইক। কক্সবাজারের কলাতলী, হিমছড়ি ও সালসা বিচ– তিনটি পয়েন্টে মিলবে অ্যাপসেবার সাইকেল। গুগল প্লে স্টোর ও অ্যাপল স্টোরে অ্যাপটি পাওয়া যাচ্ছে।

জোবাইক অ্যাপ আগের চেয়ে আরও সহজ এবং উন্নত করা হয়েছে। এখন বিকাশ বা নগদের মাধ্যমে পেমেন্ট করা যাচ্ছে। ইলেকট্রিক অ্যাসিস্ট ই-বাইকের ভাড়া প্রতি মিনিট ৩ টাকা মাত্র। জোবাইকের ই-বাইকগুলো শক্তিশালী ব্যাটারির হওয়ায় প্রতি ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটার পর্যন্ত গতিতে চলতে পারে।

শুরুতেই অ্যাপে নিবন্ধিত হয় ৬৫ হাজার আগ্রহী। এরই মধ্যে দুই লাখের বেশি রাইড সম্পন্ন করেছে বাইক সেবাটি। কক্সবাজারে নতুন উদ্যমে কাজ করছে জোবাইক। যার উদ্দেশ্য স্থানীয় ও পর্যটকের ভ্রমণে বাড়তি স্বাচ্ছন্দ্য জুড়ে দেওয়া; শহুরে সৌন্দর্যবর্ধন ও কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে কক্সবাজারকে স্মার্ট সিটির অন্তর্ভুক্ত করা।কক্সবাজারে নতুন প্রত্যয়ে চালু হলো জোবাইক। পর্যটক ও স্থানীয়রা সাইকেল রাইড শেয়ারিং মডেলে ভাড়া করে চালানোর সহজ সুযোগ পাবেন। আগ্রহীরা জোবাইক অ্যাপ দিয়ে সাইকেলের লক খুলে সাইকেল চালিয়ে গন্তব্যে পৌঁছে গিয়ে লক লাগিয়ে রাইডটি শেষ করতে পারবেন।