“‘মা’ ছবিতে দু’টি সোনার টুকরো, পরীমনির কাঁচে আরো বিশেষ রং ধরেছে। একটা হলো আমাদের চিত্রনায়িকা পরীমনির জীবনের প্রথম শিশু আর আরেকটি হলো সিলভার স্ক্রিনের শিশুটি। পরীমনির চোখের তারায় দুটো সোনার তারাকে নিয়ে ‘মা’ ছবিটি দেখার ব্যবস্থা করতে পরিচালক অরণ্য আনোয়ারের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

অপেক্ষার ক্ষণগুলো কাটলো পরীমনি মা হওয়ার সাথে সাথে। এবং সেই সময়টা সিলভার স্ক্রিনে সোনার সুতায় বেঁধেছে ‘মা’ সিনেমা।

একজন চিত্রনায়িকার চোখে একটি শিশু কতটা বিশেষ, তা পরীমনির অনুভবের কথা শুনলেই বোঝা যায়। সবাই যে শিশুটি সত্যিকারের মায়ের মতো তাকে বেঁধেছে মায়ার বাঁধনে, সে শিশু এখন পর পরীমনির মায়েরি ভালোবাসা পাচ্ছে। এটা কিন্তু কোন চরিত্র পালন নয়, প্রতিটি ক্ষণে পরীমনি ব্যক্তিগতভাবেই সেই শিশুর মা। বাস্তব ও ছবির জগতে তার মায়েরি ভালোবাসা এখন স্বপ্ন থেকে বাস্তবতায় পরিণত হয়েছে।

এখন পরীমনি অভিনেত্রী নয়, সে এখন একজন মা। সংবাদ সভায় সে আপনার নতুন অভিজ্ঞতা বিস্তারিত ভাবে ব্যাখ্যা করে। স্বপ্ন ও বাস্তবের মিলনমৈত্রি তার আলোচনায় স্পষ্ট পরিলক্ষিত হয়েছে।

একটি মা হিসেবে পরীমনির ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এখন আরো বেশি জনপ্রিয় হচ্ছে, এবং এই প্রস্তাবিত চলচ্চিত্র ‘মা’ তার মা হওয়ার অভিজ্ঞতাকে আরও প্রস্তুত করে তুলছে। পরীমনির মা হওয়ার অভিজ্ঞতা ও সিলভার স্ক্রিনের মায়েরি ভূমিকা মিলিয়ে সম্পূর্ণ নতুন এক চিত্রনায়িকা সৃষ্টি করছে। আর এই প্রক্রিয়ায় তার অনুগামীরা এবং শুভেচ্ছামুখর উন্নতিবাদীরা অনেক উৎসাহিত হয়েছেন।

মূলত পরীমনির মা হিসেবে নতুন পাল্টা অভিজ্ঞতা ও অভিনয়ের পথে তার এই সাহসী অবদান বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পে একটি নতুন দিক উন্মোচন করেছে। এবং এই বিষয়টি তার অনুসরণকারীরা সত্যিই উচ্ছ্বসিত করেছে। আমরা এই নতুন চলচ্চিত্র ‘মা’ এর জন্য পরীমনির অপেক্ষা করছি।


আমরা জানি যে পরীমনি এই চলচ্চিত্রের জন্য সম্পূর্ণ নতুনভাবে তৈরি হচ্ছেন। তার বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা এখন তার অভিনয়ের প্রেরণা হচ্ছে, এবং আমরা তার পাশাপাশি যাত্রা করার জন্য উদ্দীপন হচ্ছি। আমরা দেখতে পেতে চাই যে কিভাবে তিনি এই নতুন ভূমিকার সাথে মিলিয়ে চলেছেন এবং সে সমস্ত স্পর্শযোগ্য, সত্যিকারের এবং শক্তিশালী মায়ের চরিত্র তৈরি করেছেন।

এই চলচ্চিত্র তাকে শুন্য থেকে শীর্ষে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে একটি সম্পূর্ণ নতুন দৃষ্টিকোণ প্রদান করতে পারে। এটি তাকে একটি অভিনেত্রী থেকে একজন মা হিসেবে অভিনয়ের প্রত্যয়ন সৃষ্টি করতে সহায়তা করতে পারে, যা সম্পূর্ণ চলচ্চিত্র শিল্পের মাধ্যমে প্রকাশিত হবে। এটি শিল্প, সংস্কৃতি এবং বাস্তব জীবনের মিশ্রণ হিসেবে আসবে, এবং তাই এটি সবার জন্য আকর্ষণীয় হবে।