আমরা সবাই জানি ড্রাই ফ্রুটস স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ভালো। বিশেষ অনুষ্ঠানগুলোতে ড্রাই ফ্রুটসের ব্যবহার বেশি হয়। তবে শুধুমাত্র খাদ্য তালিকায় নয় স্কিনকেয়ার রুটিনের জন্যও ড্রাই ফ্রুটস অতুলনীয়। ঝলমলে এবং ত্রুটিহীন ত্বক পেতে ড্রাই ফ্রুটস ব্যবহার করুন। আসুন জেনে নিই কীভাবে ব্যবহার করবেন তার কয়েকটি টিপস-
বাদাম:
বাদাম ত্বকের প্রাকৃতিক গ্লো বাড়িয়ে তোলে এবং ত্বককে হাইড্রেড রাখে। বাদাম ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা ধরে রাখে এবং সূক্ষ্ম রেখাগুলো দূর করে। বাদাম ব্যবহার করার জন্য প্রথমে ৪-৫ টা বাদাম সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। পরদিন সকালে বাদামের উপরের লাল খোসা ছাড়িয়ে দিতে হবে। এবারে একটি কলা সহ বাদামগুলো মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি মুখের স্ক্রাব হিসাবে ব্যবহার করুন এবং ত্বকে হালকা হাতে ম্যাসাজ করুন। ১০-১৫ মিনিট রেখে নরমাল পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
আখরোট:
আখরোটে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি থাকে। যা মুখের কালো দাগ এবং সূক্ষ্ম রেখা দূর করে। এছাড়াও ত্বকের মৃত কোষ থেকে মুক্তি পেতেও সহায়তা করে। এক্সফোলিয়েটিং পেস্ট হিসাবে আখরোটের ব্যবহার করতে ৩-৪ টুকরো আখরোট পিষে এক চামচ মধু মিশ্রিত করতে হবে। ভালভাবে মিশিয়ে পেস্টটি আপনার মুখে লাগান। ১৫-২০ মিনিট রেখে নরমাল পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত এই পেস্টটি নিলে ত্বকের মৃত কোষ ও অতিরিক্ত তেল থেকে মুক্তি মিলবে।
খেজুর:
খেজুরে প্রচুর ভিটামিন সি পাওয়া যায়। ফলে ত্বকের টানটান ভাব বজায় রাখতে সাহায্য করে। এমনকি ত্বক কোমল করতেও খেজুর উপকারী।হাড়ক্ষয় আশঙ্কা দ্বিগুণ যে খাবারেহাড়ক্ষয় আশঙ্কা দ্বিগুণ যে খাবারে
চিনাবাদাম:
চিনাবাদামে প্রচুর ভিটামিন-ই পাওয়া যায়। এই উপাদানটি ত্বকে কালো ছোপ পড়া থেকে রক্ষা করে। এছাড়া চিনাবাদামের প্রোটিন ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ত্বককে কোমল করে তোলে। শুধু তাই নয়, ভিটামিন ই ত্বকের উজ্জ্বলতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
কাঠবাদাম:
কাঠবাদাম খারাপ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। এটি ক্যালোরির বড় উৎস। এর মধ্যে আছে ভিটামিন-ই। যা ভিতর থেকে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। ত্বককে কোমল করে; একই সঙ্গে নিয়মিত এর তেল ম্যাসাজে ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে। ফলে ত্বক ভিতর থেকে পুষ্টি পায় এবং সুস্থ থাকে।
পেস্তাবাদাম:
শুষ্ক ত্বকের অধিকারীরা অনায়াসেই নিজেদের খাবারের তালিকায় রাখতে পারেন পেস্তাবাদাম। এতে রয়েছে মনো-আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, যা কোলেস্টেরল কম রাখতে সাহায্য করে। এর মধ্যে থাকা ভিটামিন বি-৬ ত্বককে ভিতর থেকে আর্দ্রতা দেয়। তা ছাড়া পেস্তাবাদাম ত্বকের গ্রোতেও সাহায্য করে।
কিশমিশ:
কিশমিশের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা ত্বকের এজিং প্রতিরোধে সহায়ক। এ ছাড়া এর ভিটামিন-এ, বিভিন্ন খনিজ ত্বককে কোমল করে এর পুষ্টি প্রদান করে থাকে।