Sat. Jan 16th, 2021

পাঁচ বছর পেরিয়ে গেছে যে ভারত সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া থেকে ঝুলন্ত এক কিশোরীর ভয়াবহ ছবিতে বাংলাদেশ জেগেছিল। সীমান্তে নির্বিচারে হত্যাকাণ্ড অব্যাহত থাকায় হত্যার বিচারের প্রতিশ্রুতি অগ্রাহ্য করা হয়েছে। প্রথম আলোর খবরে বলা হয়, পনের বছর বয়সী ফেলানী খাতুনকে তার বাবার সাথে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার অনন্তপুর সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে বাড়ি ফিরতে গিয়ে ভারতীয় সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনী (বিএসএফ) গুলি করে হত্যা করেছিল। পরে, বিএসএফের সদস্যরা সীমান্তে বার্বওয়্যারের বেড়াতে তার মৃতদেহ ঝুলিয়ে রাখে। উল্টে বারবায়ার থেকে ঝুলন্ত ফেলানির রক্তাক্ত দেহের ভয়াবহ ছবি সারা দেশ জুড়ে প্রতিবাদ ও নিন্দার ছড়ায়। দুর্ভাগ্য শিশুটিকে হত্যা করা বিএসএফের সৈন্য অমিতা ঘোষকে অভ্যন্তরীণ আদালতে দুই দফায় বিচারের মুখোমুখি করা হয়েছিল। উভয় ক্ষেত্রেই তিনি খালাস পেয়েছিলেন। অপরদিকে হত্যাকাণ্ড বন্ধের দাবিতে সন্ত্রাস সত্ত্বেও বর্ডার হত্যার ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। ২০১৫ সালে বিএসএফের দ্বারা ভারতের সীমান্তে এ পর্যন্ত ৪ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। অধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের মতে ২০১০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে বিগত ছয় বছরে কমপক্ষে ২৬৬ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। দু’দেশের মধ্যে বারবার আলোচনা হয়েছে সীমান্তে হত্যা রোধ করার লক্ষ্যে বিএসএফ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার না করার আনুষ্ঠানিকভাবে আশ্বাস দিয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কিছুই উপকারে আসেনি।

ByHerNet

Jan 7, 2021

By HerNet

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *