Fri. Jan 15th, 2021
জয়া আহসানের রিট কার্যতালিকা থেকে বাদ

কুকুর নিধন বন্ধে অভিনেত্রী জয়া আহসানের রিট কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন হাইকোর্ট। সোমবার (২৩ নভেম্বর) বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল এম এ আমিন উদ্দিন আদালতকে জানিয়েছেন, আমি দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়রের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি বলেছেন, আপাতত কুকুর অপসারণের সিন্ধান্ত নেই। যদি কখনও অপসারণের সিন্ধান্ত নেওয়া হয় তাহলে রিটকারী ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলে কুকুর অপসারণের বিষয়ে সিন্ধান্ত নেওয়া হবে। এরপর হাইকোর্ট কুকুর অপসারণ নিয়ে রিট মামলাটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সাকিব মাহবুব। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল দেবাশিষ ভট্টাচার্য ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নাসিম ইসলাম।

পরে ব্যারিস্টার সাকিব মাহবুব বলেন, সিটি করপোরেশন আপাতত কুকুর অপসারণ করছে না। তাই আদালত মামলাটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দিচ্ছি। তবে রিটকারীরা চাইলে আবারও মামলাটি উপস্থাপন করতে পারবেন।

গত ১৭ সেপ্টেম্বর রাজধানী থেকে বেওয়ারিশ কুকুর  স্থানান্তর করতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়।

‘অভয়ারণ্য’ নামে প্রাণী কল্যাণ সংগঠনের সভাপতি রুবাইয়া আহমেদ, পিপলস ফর অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ারের চেয়ার‌ম্যান রাকিবুল হক এমিল ও অভিনেত্রী জয়া আহসান এ রিট করেন।

রিট আবেদনে কুকুর স্থানান্তর ও ডাম্প করার বিষয়ে ডিএসসিসির কার্যত্রক্রমের বৈধতা প্রশ্নে রুল জারির আরজি জানানো হয়। রিটে ডিএসসিসিসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছিল।

রিট আবেদনে বলা হয়, প্রাণী কল্যাণ আইন-২০১৯ এর ধারা-৭ অনুযায়ী বেওয়ারিশ কুকুরসহ কোনো প্রাণীকে অপসারণ, স্থানান্তরিত ও ফেলে দেওয়া যাবে না। অথচ অভিযোগ রয়েছে ডিএসসিসির মৌখিক আদেশে টিএসসি ও ধানমন্ডি থেকে বেওয়ারিশ কুকুর তুলে নিয়ে মাতুয়াইল ফেলে দেওয়া হয়েছে। এজন্য কুকুর স্থানান্তরের বিষয়ে ডিএসসিসির সিদ্ধান্ত ও কার্যক্রমের বৈধতা রিট আবেদনে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।

রিট আবেদনে আরও বলা হয়, ডিএসসিসি কুকুরের সংখ্যা কমানোর জন্য যে অমানবিক প্রকল্প নিয়েছে তার সফলতার কখনই কোনো উদাহরণ নেই। এ ধরনের অমানবিক প্রকল্প বন্ধের জন্য ও প্রাণী কল্যাণ আইন,  ২০১৯ এর অধীন বিধি প্রণয়নে  হাইকোর্ট এর নির্দেশনা দেওয়া একান্ত প্রয়োজন।

By HerNet

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *